সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার হাফিজুর রহমান হাবিব ,
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার ফেসবুকে বাংলা হোটেলের খাবারের অতিরিক্ত বিল নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে হোটেলের মালিক পক্ষ। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের হোটেলটির দ্বিতীয় তলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে হোটেল মালিক আজিজুল হক প্রতিবাদ করে জানান, কর দাবি, গত শুক্রবার বিকেলে কন্টেন ক্রিয়েটর মোজাহের ভাই আমাদের হোটেলে খেতে এসেছেন বলে একজন ম্যানেজার টেবিলে এসে জানান, ভিআইপি মেহমান এসেছে, ভিআইপি আপ্যায়নে হোটেলে যত উন্নত খাবার আছে তা যেন পরিবেশন করে দেয়া হয়। সে অনুযায়ী আমরা কন্টেন ক্রিয়েটর মোজাহের ভাইয়ের সাথে আসা ১৭জনকে আপ্যায়ন করা হয়। প্রত্যাশা অনুযায়ী খাবার পরিবেশন করা হয়। কিন্তু খাবার পর বিল দিতে এসে আপত্তি উঠে তাদের। ১৭ জনের খাবার বিল ৮হাজার টাকা বিল হওয়ায় তর্কবিতর্ক করতে থাকেন তারা। কিভাবে এতো টাকা বিল এসেছে তা জানতে না চেয়ে গোপনে তারা ভিডিও ধারণ করে।
হোটেল মালিক জানান, আমাকে কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তারা অকথ্য ভাষায় কথা বলতে থাকেন। বিলের বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করা হলেও তারা তা না জেনে গোপনে ভিডিও ধারণ করে এক হাজার টাকা বিল কম দিয়ে তারা চলে যান। পরের দিন বিকেলে জানতে পারি তারা সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে প্রচারনা চালান। হোটেল মালিক আরও বলেন, তাদের আপত্তি ছিল একটি মুরগী নিয়ে। আমাদের স্টাফ তাদের একজন মুরগীর মাংস চেয়ে অর্ডার দিলেও সেটি খাননি, এমনকি বিষয়টি না জানানোর কারণে ভুলের কারণে বিলটি ধরা হয়েছিল। তারা যদি মুরগীর মাংসটি ফেরত দিতেন তাহলে তা সেটি বিলে ধরা হতো না। এরপরেও আমরা তাদের সম্মানে বিল থেকে এক হাজার টাকা কম নিয়েছি। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে আমরা নিষ্ঠা, সততা নিয়ে সেবা দিয়ে আসায় কখনো এ ধরণের পরিস্থিতিতে আমাদের পড়তে হয়নি। বরঞ্চ আমাদের হোটেলের সেবা ও খাবার মান সন্তুষ্টিজনক হওয়ায় প্রচুর পর্যটকরা ফেসবুকে/ইউটিউবে প্রচার করেছেন। তাই এ ধরণের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানোয় আমরা হতবাক হয়েছি। তাই এর তীব্রনিন্দা জানাচ্ছি। আমাদের আহবান ভিউ ব্যবসা করেন, কিন্তু অপপ্রচার ঘটিয়ে নয়। এ কারণে হয়তো বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছি, কিন্তু যারা আমাদের বাংলা হোটেলের খাবারের মান, সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কে জানেন, তারা আসছেন। তাদের অনেকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদও করতে দেখেছি।